জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক :
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে সহজ করা এবং আমদানি প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে আমদানির ক্ষেত্রে অগ্রিম অর্থপ্রদানের সীমা সংশোধন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এখন থেকে আমদানিকারকরা ২০ হাজার ইউএস ডলার পর্যন্ত রিপেমেন্ট গ্যারান্টি ছাড়া অগ্রিম পরিশোধ করতে পারবেন, যেখানে আগে এই সীমা ছিল ১০ হাজার ডলার।
একইসঙ্গে রফতানিকারকদের রিটেনশন কোটা হিসাব থেকে অগ্রিম অর্থপ্রদানের সীমা ২৫ হাজার ডলার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার ডলার করা হয়েছে।
শিল্প সংশ্লিষ্টরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, এটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি আমদানিকারকদের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হবে। এই সীমা বৃদ্ধি আমদানিকারকদের জন্য কম খরচে ও দ্রুত সময়ে অর্থপ্রদান সম্ভব করে তুলবে। ফলে সময় এবং অতিরিক্ত খরচ উভয়ই কমবে।
এই নীতিগত সংশোধন দেশের সামগ্রিক বাণিজ্য দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক বাণিজ্য আরও সহজ করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দিন দিন নমনীয় নীতি সহায়তার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ সময়োপযোগী বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এর আগে সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভোগ্যপণ্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈঠকে ব্যবসায়ীরা আসন্ন রমজানে খাদ্যদ্রব্যের দাম সহনীয় রাখার আশ্বাস দেন।
একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর জানান, এ বিষয়ে যেকোনো নীতিগত সহায়তা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রস্তুত।
বৈঠক শেষে শীর্ষ ব্যবসায়ী গ্রুপগুলোর প্রতিনিধিরা বলেন, দেশের বর্তমান ভোগ্যপণ্য মজুত, আমদানির প্রয়োজনীয়তা ও সরবরাহ জটিলতা নিয়ে গভর্নরের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
তিনি চান, আমদানি বাড়লেও যেন মূল্যস্ফীতি না বাড়ে। এজন্য বাজার বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন গভর্নর।
Leave a Reply